CPI data in an Hour $BTC 63800 > 74200 $ETH 1872 > 2400 Before real Bull 🐂 Run I'm expecting another dump to fill our Entries and create more fear ....
এই নোটিশের মাধ্যমে বিটগেট (Bitget) এক্সচেঞ্জ তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে ১০টি ট্রেডিং পেয়ার সরিয়ে ফেলার বা ডিলিস্টিং করার ঘোষণা দিয়েছে। সহজ কথায় এর মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
ডিলিস্টিং সময়: ২০২৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি, ইউটিসি (UTC) সময় সকাল ১০টায় এই ১০টি পেয়ারে ট্রেডিং বন্ধ হয়ে যাবে।
$RIVER this time 80% people are sleeping so 80% wake-up to see river condition to sale 80% more in panic so river go very easy to 10 dollar 💔i say dont sale on panic just cool down but many people i dont know why do this.😕
Validator in Your Pocket: Decentralization, Reimagined Most L1s claim decentralization. Reality: it’s a privilege of capital and high-end servers. Ethereum validators: need millions in stake. Solana validators: require industrial-grade servers. The result? Decentralization by name, not by participation. Savitri’s Breakthrough @Savitri_Net changes the equation: High-throughput DAG architecture Optimized for consumer hardware Validator nodes run from smartphones, laptops, even modest PCs Decentralization is no longer an elite club. It’s in everyone’s hands. Why This Matters This isn’t convenience. This is security by the masses, not control by the few. True Web3 requires: Global participation Distributed validators Low barriers, high integrity When anyone can validate, the network is stronger, fairer, and resistant to centralization. The Vision The future of blockchain won’t be built in data centers. It won’t wait for billion-dollar nodes to participate. It will be built in your pocket, powered by the devices you already own. This is real decentralization. #SavitriNetwork #Web3 #Decentralization #ValidatorInYourPocket
ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্টের প্রাথমিক ধারণা 🇧🇩 শিরোনাম: 🚀 বাংলাদেশে ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্ট: শুরুটা করবেন কিভাবে?
আপনি কি ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী? বাংলাদেশে এর আইনি দিক, সঠিক প্ল্যাটফর্ম এবং ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি। মনে রাখবেন, ক্রিপ্টো এখনো বৈধ মুদ্রা নয়, তাই সতর্ক থাকতে হবে!
আইনি সীমাবদ্ধতা বোঝা।
নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম চেনা।
বিনিয়োগের ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা নেওয়া।
পরের পোস্টে জানাবো কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবেন! 💡
বাংলাদেশে ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্ট: আপনি কি শুরু করতে চান? 🇧🇩
🚀 বাংলাদেশে ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্ট: আপনি কি শুরু করতে চান? 🇧🇩 বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়ায় সবচেয়ে আলোচিত নাম ক্রিপ্টোকারেন্সি। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের আকাশচুম্বী দাম দেখে অনেকেই ইনভেস্ট করতে চান, কিন্তু আমাদের দেশে এর সঠিক নিয়ম না জানায় অনেকেই পিছিয়ে পড়েন।
আজকের পোস্টে আমরা জানবো বাংলাদেশ থেকে ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্টের সহজ ৩টি ধাপ এবং কিছু জরুরি সতর্কতা।
🛠 কিভাবে শুরু করবেন? ১. বাইনান্স (Binance) একাউন্ট তৈরি: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ হলো বাইনান্স। প্রথমেই প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপটি নামিয়ে আপনার NID কার্ড দিয়ে ভেরিফিকেশন (KYC) করে নিন। ভেরিফাইড একাউন্ট ছাড়া লেনদেন করা নিরাপদ নয়।
২. P2P পদ্ধতিতে ডলার (USDT) কেনা: বাংলাদেশে সরাসরি ব্যাংক কার্ড দিয়ে ক্রিপ্টো কেনা যায় না। তাই বাইনান্সের P2P (Peer-to-Peer) অপশন ব্যবহার করতে হয়। এখানে আপনি বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য সেলারের কাছ থেকে USDT কিনতে পারবেন। (১ USDT ≈ ১ ডলার)।
৩. আপনার প্রিয় কয়েন কেনা: আপনার ওয়ালেটে USDT চলে এলে 'Trade' অপশনে গিয়ে সেটি দিয়ে Bitcoin (BTC), Ethereum (ETH) বা Solana (SOL)-এর মতো কয়েন কিনে হোল্ড করতে পারেন।
⚠️ ইনভেস্ট করার আগে যা জানা জরুরি (Pro-Tips) আইনি সতর্কতা: বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধ মুদ্রা নয়। তাই বড় অংকের লেনদেন বা অবৈধ কাজে এটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ব্যক্তিগতভাবে অল্প ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আপনার নিজের।
হুজুগে ইনভেস্ট করবেন না: অন্যের কথা শুনে লোন নিয়ে ইনভেস্ট করবেন না। ক্রিপ্টো মার্কেট অত্যন্ত অস্থির (Volatile), তাই যতটুকু লস করার ক্ষমতা আছে ঠিক ততটুকুই ইনভেস্ট করুন।
স্ক্যামার থেকে সাবধান: ফেসবুকে বা টেলিগ্রামে যারা "টাকা দ্বিগুণ" করার অফার দেয়, তারা ১০০% ফ্রড। নিজের একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা 'সিড ফ্রেজ' কাউকে দেবেন না।
💡 আমাদের পরামর্শ: আগে শিখুন, তারপর বিনিয়োগ করুন। ক্রিপ্টো মানেই রাতারাতি বড়লোক হওয়া নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ।
বাংলাদেশে ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্ট: আপনি কি শুরু করতে চান? 🇧🇩
বর্তমানে ডিজিটাল দুনিয়ায় সবচেয়ে আলোচিত নাম ক্রিপ্টোকারেন্সি। বিটকয়েন বা ইথেরিয়ামের আকাশচুম্বী দাম দেখে অনেকেই ইনভেস্ট করতে চান, কিন্তু আমাদের দেশে এর সঠিক নিয়ম না জানায় অনেকেই পিছিয়ে পড়েন।
আজকের পোস্টে আমরা জানবো বাংলাদেশ থেকে ক্রিপ্টো ইনভেস্টমেন্টের সহজ ৩টি ধাপ এবং কিছু জরুরি সতর্কতা।
🛠 কিভাবে শুরু করবেন? ১. বাইনান্স (Binance) একাউন্ট তৈরি: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ হলো বাইনান্স। প্রথমেই প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপটি নামিয়ে আপনার NID কার্ড দিয়ে ভেরিফিকেশন (KYC) করে নিন। ভেরিফাইড একাউন্ট ছাড়া লেনদেন করা নিরাপদ নয়।
২. P2P পদ্ধতিতে ডলার (USDT) কেনা: বাংলাদেশে সরাসরি ব্যাংক কার্ড দিয়ে ক্রিপ্টো কেনা যায় না। তাই বাইনান্সের P2P (Peer-to-Peer) অপশন ব্যবহার করতে হয়। এখানে আপনি বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্য সেলারের কাছ থেকে USDT কিনতে পারবেন। (১ USDT ≈ ১ ডলার)।
৩. আপনার প্রিয় কয়েন কেনা: আপনার ওয়ালেটে USDT চলে এলে 'Trade' অপশনে গিয়ে সেটি দিয়ে Bitcoin (BTC), Ethereum (ETH) বা Solana (SOL)-এর মতো কয়েন কিনে হোল্ড করতে পারেন।
⚠️ ইনভেস্ট করার আগে যা জানা জরুরি (Pro-Tips) আইনি সতর্কতা: বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বৈধ মুদ্রা নয়। তাই বড় অংকের লেনদেন বা অবৈধ কাজে এটি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ব্যক্তিগতভাবে অল্প ইনভেস্টমেন্টের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আপনার নিজের।
হুজুগে ইনভেস্ট করবেন না: অন্যের কথা শুনে লোন নিয়ে ইনভেস্ট করবেন না। ক্রিপ্টো মার্কেট অত্যন্ত অস্থির (Volatile), তাই যতটুকু লস করার ক্ষমতা আছে ঠিক ততটুকুই ইনভেস্ট করুন।
স্ক্যামার থেকে সাবধান: ফেসবুকে বা টেলিগ্রামে যারা "টাকা দ্বিগুণ" করার অফার দেয়, তারা ১০০% ফ্রড। নিজের একাউন্টের পাসওয়ার্ড বা 'সিড ফ্রেজ' কাউকে দেবেন না।
💡 আমাদের পরামর্শ: আগে শিখুন, তারপর বিনিয়োগ করুন। ক্রিপ্টো মানেই রাতারাতি বড়লোক হওয়া নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ।
আপনি কি জানতে চান এই মুহূর্তে কোন কয়েনগুলো ইনভেস্টমেন্টের জন্য ভালো হতে পারে? অথবা বাইনান্সের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে? কমেন্টে জানাতে পারেন! $BTC
বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনভেস্টমেন্ট গাইড: যা আপনার জানা প্রয়োজন
বাংলাদেশে কিপটো বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনভেস্ট করার কথা ভাবছেন? শুরু করার আগে এর আইনি দিক, মাধ্যম এবং ঝুঁকিগুলো ভালো করে বুঝে নেওয়া জরুরি।
১. আইনি অবস্থা (Legal Status) বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি বর্তমানে বৈধ কোনো মুদ্রা নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক একাধিকবার সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে যে, ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে মানি লন্ডারিং এবং আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে। তবে ব্যক্তিগতভাবে এটি হোল্ড করা বা কেনা-বেচা করা নিয়ে আইনের ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে। মূল কথা হলো—সতর্ক থাকা এবং কোনো প্রকার অবৈধ কাজে এটি ব্যবহার না করা।
২. প্রয়োজনীয় টুলস ও প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশে সরাসরি ব্যাংক একাউন্ট দিয়ে ক্রিপ্টো কেনা যায় না। তাই আপনাকে নিচের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে হবে:
এক্সচেঞ্জ (Exchange): বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং নিরাপদ এক্সচেঞ্জ হলো Binance (বাইনান্স)। এছাড়াও Bybit বা KuCoin ব্যবহার করা যায়।
ওয়ালেট (Wallet): দীর্ঘমেয়াদী ইনভেস্টমেন্টের জন্য Trust Wallet বা MetaMask এর মতো 'নন-কাস্টোডিয়াল' ওয়ালেট ব্যবহার করা নিরাপদ।
৩. ইনভেস্ট করার ধাপসমূহ (কিভাবে কিনবেন?) সরাসরি ব্যাংক কার্ড কাজ না করায় বাংলাদেশে মূলত P2P (Peer-to-Peer) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ধাপ ১: একাউন্ট ভেরিফিকেশন: বাইনান্স অ্যাপ ডাউনলোড করে আপনার এনআইডি (NID) দিয়ে কেওয়াইসি (KYC) সম্পন্ন করুন।
ধাপ ২: P2P ট্রেডিং: বাইনান্সের P2P অপশনে গিয়ে আপনি বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে অন্য একজন বিক্রেতার কাছ থেকে USDT (একটি স্টেবল কয়েন যা ডলারের সমান) কিনতে পারবেন।
ধাপ ৩: কয়েন ক্রয়: আপনার ওয়ালেটে USDT চলে আসলে সেটা দিয়ে আপনি বিটকয়েন (BTC), ইথেরিয়াম (ETH) বা আপনার পছন্দমতো যেকোনো কয়েন কিনতে পারবেন।
৪. ঝুঁকি ও সতর্কতা ⚠️ মার্কেট ভোলাটিলিটি: ক্রিপ্টোর দাম খুব দ্রুত বাড়ে এবং কমে। তাই এখানে শুধু সেই টাকাই ইনভেস্ট করুন যা লস হলেও আপনার জীবনে বড় প্রভাব পড়বে না।
স্ক্যাম থেকে সাবধান: ফেসবুকে বা টেলিগ্রামে "টাকা দিলে ডাবল করে দেব" এমন অফার থেকে দূরে থাকুন। সবসময় নিজে রিসার্চ (DYOR - Do Your Own Research) করুন।
সুরক্ষা: আপনার একাউন্টে অবশ্যই Two-Factor Authentication (2FA) অন করে রাখবেন এবং ওয়ালেটের 'Secret Recovery Phrase' কাউকে দেবেন না।
শেষ কথা: ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনভেস্টমেন্ট যতটা লাভজনক হতে পারে, ঠিক ততটাই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই হুজুগে না পড়ে আগে প্রযুক্তিটি (Blockchain) বুঝুন, তারপর বিনিয়োগ করুন।
ℹ️ RIVER MEGA EVENT UPDATE: We, the RIVER DEVELOPERS, inform the community that over 210,000 RIVER have been claimed, with 790,000 RIVER still available to be claimed. The mega event will remain open until 31 January. For full details, head to our channel here.